অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : Jun 16, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

রেলের বিস্তৃতি: নতুন করে যুক্ত হচ্ছে ১০ জেলা

দেশের রেল নেটওয়ার্ক আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ পরিকল্পনার আওতায় নতুন করে ১০টি জেলাকে রেল যোগাযোগের সঙ্গে যুক্ত করার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, রাজধানীর আশপাশের এলাকা এবং দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় রেলসেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় রেল মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সেবার মানোন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সভায় ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আখাউড়া-সিলেট ও সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথ প্রকল্পের পাশাপাশি ধীরাশ্রমে একটি আইসিডি কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যেখানে এখনও মিটারগেজ লাইন রয়েছে, সেগুলো ধাপে ধাপে ডুয়েলগেজ ও ডাবল লাইনে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বিশেষ করে টঙ্গী-আখাউড়া এবং লাকসাম-সিলেট অংশের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা দূর করে আধুনিক রেল অবকাঠামো গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া ঢাকা-কুমিল্লা কর্ড লাইন নির্মাণের বিষয়েও নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে রাজধানী থেকে কুমিল্লার দূরত্ব ও যাতায়াত সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

বর্তমানে দেশের ৪৯টি জেলার সঙ্গে রেল যোগাযোগ রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য ধীরে ধীরে দেশের সব জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নতুন ১০টি জেলায় রেল সংযোগ সম্প্রসারণের সম্ভাব্য রুট ও পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছে।

শেখ রবিউল আলম বলেন, রাজধানীর নিকটবর্তী জেলা মানিকগঞ্জে এখনও রেল যোগাযোগ নেই। তাই ঢাকা-মানিকগঞ্জ রুটে কমিউটার ট্রেন চালুর বিষয়ে সরকার ইতোমধ্যে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে কর্মজীবী ও ব্যবসায়ীরা দ্রুত রাজধানী ও আশপাশের জেলাগুলোর মধ্যে যাতায়াত করতে পারবেন।

তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে কোনো রেল প্রকল্প শুধু লাইন নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। রেললাইন, ইঞ্জিন ও বগি—সবকিছু একই প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়ন করা হবে। ফলে নতুন রেলপথ নির্মাণ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেখানে ট্রেন চলাচল শুরু করা সম্ভব হবে।

রেলমন্ত্রী বলেন, সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের রেলব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, কার্যকর এবং যাত্রীবান্ধব করে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চাঁদে বসতি গড়ার পথে নতুন আশার আলো

1

চীনের সহযোগিতা বাড়াতে এলজিআরডি মন্ত্রীর প্রস্তাব

2

দক্ষিণী অভিনেত্রীর বাসায় বোমা হামলার হুমকি!

3

বিদায়ী বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

4

ইরানের সঙ্গে গোপন চুক্তির গুজব উড়িয়ে দিল কাতার

5

গাকৃবিতে নিরাপদ ক্যাম্পাস বির্নিমাণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

6

রবিবার শুরু বাজেট অধিবেশন

7

ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা করছে সরকার

8

বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া সিরিজ ঘিরে মিরপুরে যান চলাচলে বিশেষ নির

9

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

10

সাইবার নিরাপত্তা শক্তিশালী করতে আসছে ফিনিক্স সামিট ২০২৬

11

‘জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় ব্যাপক সংস্কা

12

বিশ্বকাপ পথে মেসি-রোনালদো দ্বৈরথের সম্ভাবনা

13

নরওয়ের রাজার মৃত্যুতে শোক জানালেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

14

ফুটপাত দখলমুক্তকরণ: রাজনৈতিক সদিচ্ছা না থাকলে সমাধান অসম্ভব

15

যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর ৭ নির্দেশনা, ৪ মাসে ইটিসি ও অস্থ

16

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে নতুন চেয়ারম্যান ও এমডি

17

বাংলাদেশ রেলওয়ের রেলপথ রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে জরিপে প

18

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ ভারতের সমস্যা আরও বাড়াবে?

19

টাঙ্গাইলে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্

20