জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় নতুন ও সংশোধিত মিলিয়ে উপস্থাপিত ১২টি প্রকল্পের মধ্যে ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান সভাপতিত্ব করেন।
সভায় অনুমোদিত প্রকল্পগুলো দেশের অবকাঠামো, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিদ্যুৎ ও প্রশাসনিক সেবার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
অনুমোদিত ১০টি প্রকল্প হলো—
১. বরিশাল সেচ প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়) প্রকল্প।
২. সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প।
৩. ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন নির্মাণ প্রকল্প।
৪. আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প।
৫. ৩৩টি জেলায় সার্কিট হাউজ উন্নয়ন এবং ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিফট সংযোজন প্রকল্প।
৬. বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ প্রকল্প-২।
৭. ঢাকা সিএমএইচ-এ ক্যানসার সেন্টার নির্মাণ (দ্বিতীয় পর্যায়) প্রকল্প।
৮. মাদ্রাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (এমইএমআইএস) সাপোর্ট প্রকল্প।
৯. দেশের ৬৫৩টি মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন প্রকল্প।
১০. বিদ্যমান গ্রিড উপকেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইনের ক্ষমতাবর্ধন প্রকল্প।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অনুমোদিত এসব প্রকল্পের সিংহভাগ অর্থায়ন সরকারি তহবিল থেকে করা হবে। একই সঙ্গে প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভায় প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বৃদ্ধি, ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিশ্চিতকরণ এবং জনসেবামুখী উন্নয়ন কার্যক্রমে অধিক গুরুত্বারোপের ওপর জোর দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, এটি চলতি অর্থবছরের ১২তম একনেক সভা এবং বিএনপি সরকারের মেয়াদে অনুষ্ঠিত চতুর্থ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) বৈঠক। অনুমোদিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যোগাযোগ, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ব্যবস্থাপনা, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও প্রশাসনিক সেবার মানোন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
মন্তব্য করুন