অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : Oct 18, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

দেশ গড়তে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দেশ গড়া ও উন্নয়নের সংগ্রামে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন ও ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে লড়াই করেছেন। ভবিষ্যতেও দেশের নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

দেশ গড়ার সংগ্রামে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সংগ্রাম করেছেন। আগামী দিনেও একইভাবে সবাইকে দেশের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

আজ রোববার রাতে রাজধানীর মহাখালী এবং গুলশান-বনানী এলাকার পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল। সেই মুক্তিযুদ্ধে কে কোন ধর্মের মানুষ, তা বিবেচ্য ছিল না। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকে সবাই মিলে স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছেন।

দেশের সংকটকালে জনগণ সব সময় দেশ রক্ষায় রাজপথে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়লে মানুষ ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন করেছে। এসব আন্দোলনেও ধর্মীয় পরিচয় ঐক্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সেদিন দলমত নির্বিশেষে নারী-পুরুষ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ রাজপথে নেমেছিলেন। কে কোন ধর্মের অনুসারী, তা না দেখে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গণ-অভ্যুত্থান সফল করতে ভূমিকা রেখেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ স্বাধীন করা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে মানুষ যেমন ধর্মীয় পরিচয়কে প্রাধান্য দেয়নি, তেমনি ভবিষ্যতে দেশ গড়ার ক্ষেত্রেও ধর্ম বা জাতিগত পরিচয়ের পরিবর্তে নাগরিক পরিচয়কে গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ হিসেবে সবার পরিচয় সমান গুরুত্বপূর্ণ। দেশের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। সেই অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে সব ধর্ম ও পেশার মানুষকে একসঙ্গে কাজ করে দেশ গড়ে তুলতে হবে।

তারেক রহমান আরও বলেন, হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যে এ দেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দৃষ্টান্ত রয়েছে। আগামী হাজার বছরও যেন সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে শান্তিতে বসবাস করতে পারেন, সেটিই সবার প্রত্যাশা হওয়া উচিত।

এর আগে রাতে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে রাজধানীর মহাখালী রক্ষাকালী মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। সেখানে পূজা উদযাপন কমিটির নেতাদের সঙ্গে এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।

পরে বনানীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে উপস্থিত পূজারি ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে পারিবারিক নজরদারি ও সামাজিক দায়বদ্ধতার

1

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক জোরদারে আশাবাদ

2

চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুর

3

শিশু সহিংসতা মামলায় কঠোর সাজা, ৯ মাসে ২ মৃত্যুদণ্ড ও ৪ যাবজ্

4

প্রতিরোধভিত্তিক প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা গড়ছে বাংলাদেশ: ডা. জু

5

মোংলা বন্দর ও বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনে খুলনা-বাগেরহাট

6

আমিরাতে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থান ও সুরক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা ন

7

৩ নভেম্বর প্রথমবারের মতো সোলার এক্সপো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন

8

প্রতিরক্ষা ও কূটনীতিতে নতুন অধ্যায়: বাংলাদেশ–তুরস্ক যৌথ কমিট

9

দুর্গাপূজার টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ

10

ঢাবিতে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় হকি প্রতিযোগিতা শুরু

11

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মধ্যেও ৭ মাসে বিদেশে গেছেন ৪ লাখ ৩৪ হাজ

12

রবিবার শুরু বাজেট অধিবেশন

13

নতুন উদ্দীপনায় কাজ করতে আনসার সদস্যদের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত

14

টাইব্রেকারে সেশেলসকে হারিয়ে বাংলাদেশের কিশোরদের জয়

15

সুস্থ ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়তে খেলাধুলার বিকল্প নেই: চিফ হু

16

জলবায়ু অর্থায়ন কমিটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

17

ডেঙ্গু মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র দিল ৫ লাখ টেস্ট কিট

18

মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই চেতনা নিয়ে রাজনৈতিক ব্যবসা করতে চায় না ব

19

শেরেবাংলা নগরে নতুন সচিবালয় নির্মাণের অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা

20