
বগুড়ার ধুনটে ইছামতি ডিজিটাল কমপ্লেক্স মার্কেটের মাসুদ টেলিকমে চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার আটজনের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে শুক্রবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বগুড়ার ধুনটে ইছামতি ডিজিটাল কমপ্লেক্স মার্কেটের মাসুদ টেলিকমে চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার আটজনের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে আরও দুজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে ধুনট থানায় ওই আটজনের সঙ্গে দেখা করতে গেলে মো. মোস্তফা (৪০) ও বাবুল চৌধুরী (৪৮) নামে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম।
গ্রেপ্তার মোস্তফা কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার দুলারামপুর গ্রামের মফিজুল ইসলামের ছেলে। বাবুল চৌধুরী একই উপজেলার কেমতলী গ্রামের ধনু চৌধুরীর ছেলে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টার দিকে ধুনট শহরের ইছামতি ডিজিটাল কমপ্লেক্স মার্কেটের প্রথম তলায় মাসুদ টেলিকমে চুরি হয়। ঘটনার প্রায় তিন ঘণ্টা পর অভিযান চালিয়ে আটজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া ৯৪টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মোবাইল ফোনগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৫ লাখ টাকা।
এ ঘটনায় দোকানের মালিক মাসুদ রানা বাদী হয়ে ধুনট থানায় মামলা করেন।
গ্রেপ্তার আটজন হলেন—চট্টগ্রাম শহরের আল আমিন (৩০), আক্কাস আলী (৩৫) ও হৃদয় (৩৪), নরসিংদীর ইমরান (৩০), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইয়াছিন আরাফাত (৩৮) এবং কুমিল্লার রবিউল ইসলাম (৩৩), আলা উদ্দিন (২৫) ও ইস্রাফিল রহমান (২৭)।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আটজন আন্তঃজেলা চোরচক্রের সক্রিয় সদস্য। তাদের গ্রেপ্তারের পর ধুনট থানায় পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছিল। ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে তাদের সঙ্গে দেখা করতে থানায় আসেন মোস্তফা ও বাবুল।
এ সময় তাদের গতিবিধি ও সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে জানতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
ধুনট থানার ওসি আতিকুল ইসলাম বলেন, মোস্তফা ও বাবুল চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।