প্রিন্ট এর তারিখঃ Nov 5, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Oct 19, 2026 ইং
ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর

ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে দেশকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে হবে।
বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এখানে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ পাশাপাশি শান্তিতে বসবাস করেন। জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সম্প্রীতি বজায় রেখে দেশকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে হবে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নরসিংদী সদর ও পলাশ উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি পাঁচদোনা শ্রী শ্রী হরি মন্দির ও পলাশ বাজার সর্বজনীন দুর্গামন্দির পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি নিজস্ব তহবিল থেকে বিভিন্ন মন্দিরে অনুদান দেন এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীদের মধ্যে শাড়ি বিতরণ করেন।
দুর্গাপূজার তাৎপর্য তুলে ধরে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, দেবী দুর্গার আগমন ও প্রস্থানের তাৎপর্য উপলব্ধি করতে হবে। অন্যায়, জুলুম ও অত্যাচার দূর করে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার যে শিক্ষা দুর্গাপূজায় রয়েছে, তা শুধু ধর্মীয় ক্ষেত্রেই নয়, ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনেও অনুসরণ করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের প্রতি অবিচার দূর করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার চেতনা সবার মধ্যে ধারণ করতে হবে।
নরসিংদীকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা দেখা দিলেও এ অঞ্চলের মানুষ সম্প্রীতি বজায় রেখেছেন। ভবিষ্যতেও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের এ ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এমন একটি সম্প্রীতিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান, যেখানে জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ভিত্তিতে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। সবাইকে বাংলাদেশি হিসেবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে একটি আদর্শ রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।
পলাশ বাজার সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে বক্তব্য দেওয়ার সময় ড. আবদুল মঈন খান বলেন, পলাশের মানুষের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। তিনি প্রতিবছরই এ অঞ্চলের পূজামণ্ডপে যাওয়ার চেষ্টা করেন। মন্দির ও সংশ্লিষ্ট এলাকার উন্নয়নে ভবিষ্যতেও সহযোগিতার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
মা দুর্গার আদর্শ অনুসরণ করে পলাশকে একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ উপজেলায় পরিণত করতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ দ্যা ডেভেলপমেন্ট টাইমস্